রাতে হাত পা কামড়ানোর কারণ কি

রাতে হাত-পা কামড়ানোর মতো ব্যথা হওয়ার পেছনে অনেক কারণ আছে। আমাদের শারীরিক ও জীবনযাত্রা গত কারণ হতে পারে সাধারণত প্রধান কারণ হলো আমাদের শরীরে ভিটামিন এর অভাব।

রাতে-হাত-পা-কামড়ানোর-কারণ-কি


পোস্ট সুচিপত্র: রাতে হাত পা কামড়ানোর কারণ কি

আমাদের শরীরে ভিটামিন ও খনিজের অভাব

আমাদের শরীরে হার ও পেশির কার্যকারিতার জন্য ভিটামিন ডি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি আমাদের শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব হয় তাহলে রাতে আমাদের হাত পা কামড়ানো বা চাবানো এর মত ব্যথা হয়। বেশি পেশীর সঠিক কার্যকারিতা জন্য আমাদের শরীরে ভিটামিন ডি অপরিহার্য অবদান রাখে। এর থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হলো আমাদের শরীরের জন্য ক্যালসিয়াম। শরীরে ক্যালসিয়াম কমে গেলে মাংসপেশি সংকুচিত হয়ে হাত-পা কামড়ানো এর মত ব্যথা হতে পারে। 

অতিরিক্ত পরিশ্রম করে

অতিরিক্ত পরিশ্রম করলে আমাদের শরীরে পেশিতে অক্সিজেনের স্বল্পতা দেখা দেয়। ফলে পেশীতে লাকটিক এসিড জমা হতে থাকে যা রাতে ঘুমানোর সময় হাত-পা কামড়ানো বা ব্যথা হতে পারে।
অতিরিক্ত-পরিশ্রম-করে


 বেশি পরিশ্রম করলে আমাদের শরীর থেকে আমার সাথে প্রচুর পানিও লবণ বের হয়ে যায় এই কারণে তীব্র কামড়ানোর ও টান ধরার প্রধান কারণ হয়ে যায়। রাতে ঘুমানোর আগে হালকা গরম পানি দিয়ে হাত পা শেখ দিন। 

অতিরিক্ত ওজনের কারণে

আমাদের শরীরে অতিরিক্ত ওজনের কারণে ও হাত-পা কামড়ানো এর মত ব্যথা হয়। শরীরের অতিরিক্ত ওজন বহন করতে গিয়ে আমাদের পায়ের পেশির উপর সারাদিন অনেক বেশি চাপ পড়ে
এই কারণে আমাদের শরীরে সবসময় ফিত রাখতে হবে। অতিরিক্ত  জাংফুট বেশি চিনি যুক্ত খাবার খাওয়া যাবেনা এতে আমাদের ওজন বেড়ে যায়। 

অনুউপযুক্ত জুতা ব্যবহার করার জন্য

তাছাড়াও আমরা সারাদিন যে জুতা পায়ে দিয়ে চলাফেরা করি সেটা কি আমাদের শরীরের জন্য সঠিক আমরা কেউ ভেবে দেখেছি। সারাদিন শক্ত বা হিলযুক্ত পড়ে হাঁটাচলা করলে আমাদের পায়ের মাংসপিসিতে অনেক পরিমাণ অতিরিক্ত চাপ পড়ে যা রাতে ঘুমানোর সময় পা কামড়ানোর মত ব্যথা হয়। 

যেটা করবেন না

প্রতিদিন অতিরিক্ত পরিশ্রম করবেন না। অতিরিক্ত ব্যথার জন্য নিজে নিজে কোন ঔষধ খাবেন না। অতিরিক্ত পরিশ্রমে হাত-পা কামড়ালে সেখানে বরফ বা রক্ত চেপে ধরে টিপে ধরে রাখবেন না। এতে পেশির রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়। পরিশ্রম করে সঙ্গে সঙ্গে গোসল করবেন না আপনার শরীরে থাকা ঘাম হঠাৎ ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করলে পিসিতে হঠাৎ খিচ ধরতে পারে।

সঠিক খাদ্য গ্রহণ করুন 

আপনার অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে পেশির যেই পরিমাণ হয় হইছে তা পূরণ করার জন্য আপনাকে প্রোটিন যুক্ত খাবার খেতে হবে। 
সঠিক-খাদ্য-গ্রহণ-করুন


যেমন মাছ-মাংস, সবুজ শাকসবজি, ডাল, ডিম, দুধ, পটাশিয়াম যুক্ত খাবার রাতে ঘুমানো সময় বা সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর একটা বা দুইটা করে কলা খাবে। আপনার প্রতিদিন খাবারের সাথে এগুলা যুক্ত করে রাখবেন। তাহলে আপনার অতিরিক্ত করিস ক্রমে যে পরিমাণ মাংস পেছির ক্ষয় হয়েছে তা পূরণে অত্যন্ত বেশি জরুরী।

নিয়মিত ব্যায়াম করুন

আপনার হাত বা কামড়ানো মানে হলো আপনার শরীর বিশ্রাম বা রেস্ট করার সংকেত দিচ্ছে। এই অবস্থায় আর কোন পরিশ্রম করবেন না। প্রোটিনের সকালে ২০-২৫ মিনিট হাটাহাটি করবেন, সাইকেলিং করবেন বা সাঁতার কাটা কাটবেন প্রতিদিন। 
এতে করে আপনার ব্যথা কমার জায়গা বেড়ে যেতে পারে। নিয়মিত প্রতিদিন সকালে হালকা ব্যাম ও পর্যাপ্ত তৈরি করেন তাহলে আপনার আর হাত-পা কামরানোর মত ব্যথা হবে না।

ঘুমের সঠিক পরিবেশ ও শরীরে পর্যাপ্ত ঘুম

প্রতিদিন রাতে আপনার শরীরে পর্যাপ্ত ঘুমের জন্য৭-৮ ঘন্টা ঘুমাবেন। এবং অতিরিক্ত নরম বিছানায় ঘুমাবেন না কিছুটা বিছানায় ঘুমানোর চেষ্টা করবেন সত্য সমতল যাতে  আপনার মেরুদন্ড ও হাত-পা পেশি সঠিক থাকে। চিত হয়ে ঘুমানোর সময় আপনার পায়ের নিচে কোলবালিশ রাখবেন এতে করে আপনার পা উঁচু থাকবে এবং রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। 

নিয়মিত আদা ও হলুদ খাবেন

প্রাচীন থেকে আদা ও হলুদ শুধু মসলা হিসেবে না ও যদি হিসেবেও কাজ করে। এই দুইটি একটি প্রাকৃতিক উপাদান। করলে টাকা কারকিউমিন এবং আদায় থাকা জিংগারল পিসির ভিতরে রক্ত সঞ্চালন ও ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। 
যে ফি-রাডিক্যাল তৈরি হয় তা আদৌ হলুদ পেশিকে রিলাক্স থাকতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর সময় এক গ্লাস গরম দুধের সাথে একটু আদা কুচি করে কেটে এক চামচ হলুদ মিশিয়ে খাবেন।

পুদিনা পাতা তেল ব্যবহার করুন

পুদিনা পাতার তেলে থাকা মেনথল ত্বকে ঠান্ডা অনুভূতি তৈরি করে পেশীর স্নায়ুকে শীতল করে। পানির সাথে পুদিনা পাতা ডুবিয়ে রেখে হাত পা সেই পানিতে ডুবিয়ে রাখুন আপনার ব্যাথা দ্রুত কমে যাবে। এমন সঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালনেও অনেক সাহায্য করে। তাই আপনি যদি নিয়মিত পুদিনা পাতা তেল ব্যবহার করেন তাহলে আপনার কোন রাতে হাত-পা কামড়ানোর মত ব্যথা হবে না।

শেষ কথাঃ লেখকের শেষ মন্তব্য

আপনার যদি রাতে ঘুমানোর সময় প্রতিদিন ভাত-পা কামরানো বা টেনে ধরার মত ব্যথা হয়। তাহলে আমি যেগুলো বললাম এগুলোর নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিন ব্যবহার করুন। তাহলে দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যে আপনার তারপর কামড়ানোর মত ব্যথা ভালো হয়ে গেছে। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপডেট আইডি ২৪ এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url