৭ দিনে পেটের মেদ কমানোর উপায়
মাত্র ৭ দিনের মধ্যে পেটের চর্বি সম্পন্ন কমানো চিকিৎসা
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে পুরা সম্ভব। তবে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা
পরিবর্তন করেন। তাহলে সাত দিনের মধ্যে আপনার অনেকটাই কমে যাবে আর আপনাকে
দেখতে বেশ পাতলা মনে হবে।
পোস্ট সুচিপত্র: ৭ দিনে পেটের মেদ কমানোর উপায়
- প্রতিদিনের খাদ্যের তালিকা পরিবর্তন করুন
- শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করুন
- যেটা কখনোই করবেন না
- পর্যাপ্ত পরিমান ঘুম ও রেস্ট
- সঠিক নিয়মের খবর গ্রহণ
- খাবারের সময় প্রোটিন আগে খাবেন
-
ঘুম থেকে উঠে বিছানায় থেকে যেসব ব্যায়াম করবেন
- যেসব খাবার খাবেন না
- খাবারের পর হাটাহাটি করা
- শেষ কথাঃ লেখকের শেষ মন্তব্য
প্রতিদিনের খাদ্যের তালিকা পরিবর্তন করুন
প্রতিদিন হেলদি খাবার খাবেন। এবং কোন প্রকার বৃষ্টি জাতীয় খাবার বা ।
জাংফুট থেকে একদম দূরে থাকবেন। হাত দুটি বা পরোটা এক কথায় ময়দা তৈরি খাবার
কম খাবে এবং শাকসবজি প্রোটিন জাতীয় খাবার ডিম দুধ মাছ মাংস এগুলো বেশি
খাবেন। দিনে অন্ততপক্ষে ৪-৫ লিটার পানি পান করুন পানি আপনার
শরীরের ক্ষতিকর বের করে দেয়।
শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করুন
প্রতিদিন ৪৫-৬০ মিনিট হাটাহাটি, দৌড়াদৌড়ি বা দরি লাফানো ব্যায়াম
করবেন। প্রতিদিন ৫-৭ মিনিট পুশ-আপ করবেন। প্রতিদিন সকালে এবং
বিকেলে ১৫-২০ মিনিট সাইকেলইন করবেন।
আরো পড়ুনঃ প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠার পর
খালি পেটে ১-১.৫ ঘন্টা ব্যায়াম করুন। ৭ দিন এই নিয়ম মেনে
ব্যায়ামগুলো তাহলে দেখবেন আপনার শরীরে কত পরিবর্তন হয়েছে।
যেটা কখনোই করবেন না
শরীরের এক জায়গায় মেঘ কমানোর সম্ভব নয় তাই পেটের ব্যায়ামের পাশাপাশি
হাঁটাহাঁটি সাইকেলের দৌড়াদৌড়ি ফুল বডি ব্যায়াম করবেন। শেয়ার করার
সময় প্রথম প্রথম অতিরিক্ত ওজন তুলবেন না। ব্যায়াম করার পর পর গোসল
করবেন না আপনার শরীরে ঘাম গোসলের সময় পানির সঙ্গে আপনার শরীরের মধ্যে
ঢুকে পড়ে হলে আপনি অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন ।
পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম ও রেস্ট
প্রতিদিন নিয়মিত রাত জাগবেন না শরীরের আপনার শরীরে পর্যাপ্ত
পরিমাণ ঘুমাবেন। প্রতিদিন রাতে৭-৮ ঘন্টা ঘুমাবেন ব্যায়াম
বা পরিশ্রম করার পর রেস্ট নিবেন একটানা পরিশ্রম বা ব্যায়াম কখনো
করবেন না।
আরো পড়ুনঃ এতে করে সাত দিনে যাওয়া
কমিয়ে আপনার পেটের পানি ও ফোলা ভাব পুরোপুরি না কমলেও
৫০% কমে যাবে। আর পুরোপুরি কমানোর জন্য সঠিক নিয়মে
২-৩ সপ্তাহ ব্যায়াম করবেন।
সঠিক নিয়মে খাবার গ্রহণ
প্রতিদিন হেলদি আবার গ্রহণ এবং ব্যায়াম করলে হবে না খাবার ঠিকমতো চিবিয়ে
খাইতে হবে। খাবারের সময় অতি লোকমা খাবার ১৫-২০ বার
চিবিয়ে মন দিয়ে খাবেন। এবং খাবারের সময় মোবাইল টিভি ল্যাপটপ
কম্পিউটার বন্ধ রাখবেন। একদম সম্পূর্ণ মনোযোগ খাবার দিয়ে খাবার খাবেন
তাড়াহুড় বা দ্রুত খাবার খাবেন না।
খাবারের সময় প্রোটিন আগে খাবেন
খাবার থালায় রাখার পর প্রথমে শাকসবজি ও সালাদ খান তারপর মাছ মাংস
ডিম খাবেন এবং সবার শেষে অল্প পরিমাণ ভাত রুটি খাবেন। এইভাবে খাবার
খেলে আমাদের রক্তের লেভেল হঠাৎ বেড়ে যায় ফলে ইন্সুলিন আজকে পেটে
চর্বি জমা বন্ধ হয়ে যায়। এবং ফুটন্ত পানিতে সামান্য আদা কুচি করে এক টুকরা
দিন দিনে দুইবার এইরকম ভাবে পানি পান করুন।
ঘুম থেকে উঠে বিছানায় থেকে যেসব ব্যাইয়াম করবেন
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানার উপর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে সব বাতাস মুখ
দিয়ে বের করে দিন। তারপর পেজ যতটা সম্ভব ভিতরে টেনে নিন এবং
এইভাবে ১০-১২ সেকেন্ড ধরে রাখুন। এই প্রক্রিয়াটির মাধ্যমে পেটের ভেতরে
সবচেয়ে শক্ত করে সাথে সাথে সময় দেখাতে সাহায্য করে। এরপর বিছানার
উপর শান্ত হয়ে ১৫ মিনিট বসে নাক দিয়ে শ্বাস নিয়ে মুখ দিয়ে
দিলে বের করে দিন।
যেইসব খাবার খাবেন না
কিছু খাবার আছে যেগুলো স্বাভাবিক সময় এগিয়ে চলবেন ফুলকপি ডাল এবং চুইংগাম এগুলো
৭ দিন একদম খাবেন না। এগুলো পার্বত্য দিতে যেয়ে আসে তৈরি করে এবং বের
করিয়ে রাখে।
বরং টক দই খাওয়ার চেষ্টা করবেন। অনেক দুধজাত খাবারে হালকা
পরিমাণ লাকতজ আগে যা আপনার অজান্তেই আপনার পেট ফুলিয়ে
রাখে
।
।
খাবারের পর হাঁটাহাঁটি করা
খাবার খাওয়ার পর একদম শুয়ে বা বসে থাকবেন না বরং ১৫-২০ মিনিট হালকা করে
ধীরে ধীরে হাটাহাটি করবেন। খাবার খাওয়ার পর এই হাটাহাটি করলে পাকস্থলী ও
অন্তের পেসি
গুলো সঠিকভাবে কাজ করে
এবং দ্রুত হজম
হয়। খাবার খাওয়ার পর রক্তের গ্রুপের মাত্রা বেড়ে যায়। খাবার খেয়ে
হাঁটাহাঁটি করলে পাশিগুলো গ্লুকোজ ব্যবহার করে ফেলে ফলে পেটে চর্বি জমা হয়
না।
শেষ কথাঃ লেখকের শেষ মন্তব্য
আপনি যদি আপনার ওজন নিয়ে চিন্তায় থাকেন তাহলে আর কোন চিন্তা করবেন
না। আপনি যদি আমার এই কথা মেনে সাত দিন চলতে পারেন তাহলে আপনার ওজন অনেক কমে
যাবে। ৭ দিন পর আপনি নিজেকে দেখে নিলেই চিনতে পারবে না। তবে এতক্ষণ যা যা
পড়লেন এসব কিছু মেনে চলবেন তাহলেই সম্ভব হবে না হলে হবে নইলে হবে
না।



আপডেট আইডি ২৪ এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url