দ্রুত ওজন বৃদ্ধির উপায়

 

দ্রুত ওজন বাড়ানোর জন্য বৈজ্ঞানিক ও পুষ্টিকর খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেবল অতিরি জাঙ্ক ফুড  খেলে ওজন বাড়লেও তা শরীরে জন্য চর্বি এবং নানা রোগ হতে পারে। সঠিকভাবে ওজন বাড়াতে পুষ্টিকর খাদ্য এবং প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন যুক্ত খাবার খেতে হবে।

দ্রুত-ওজন-বৃদ্ধির-উপায়


পোস্ট সুচিপত্র: দ্রুত ওজন বৃদ্ধির উপায়

প্রতিদিন  পুষ্টি ও ক্যালারি বৃদ্ধি

ওজন বাড়ানো জন্য আপনার প্রতিদিন চাহিদার চেয়ে ৪০০ থেকে ৬০০ ক্যালারি তো খাবার গ্রহণ করতে হবে। তবে আরও দ্রুত ফল পেতে ৭০০ থেকে ৮০০ ক্যালারি   পর্যন্ত বাড়াতে পারেন। ওজন বাড়ানোর জন্য চর্বির বদলে বেশি গঠন করতে প্রতিদিন অপরিহার্য কাজ করে। প্রতিদিন খাবারের কি মাস মাংস সবুজ শাকসবজি ডাল ছানা এবং উনি যুক্ত খাবার খাবেন।

ওজন বাড়ানোর খাদ্য তালিকা

 খাবারের সময়

 খাবারের নাম

খাবারের উপকার

 সকালে(নাস্তা)

 2-4 টি ডিম , ২টা কতা, ১ গ্লাস গরম দুধ

 দিনের শুরুতে প্রচুর  ক্যালারি ও প্রোটিন যোগ দেয়

 দুপুর (খাবার)

 পর্যাপ্ত ভাত ঘন ডাল  মুরগি/মাছ আলু ও সবুজ শাকসবজি

 কার্বনহাইড্রেট ও প্রোটিনের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখে

 বিকেলের 

 এক মুঠ কাজুবাদাম কিসমিস কাঠ বাদাম

 পরিশ্রমে বেশি ক্যালারি যোগ করে

 রাতে(খাবার) 

 রুটি বা ভাত, মাছ ঘন ডাল এক গ্লাস গরম দুধ

 রাতে পেশি পূর্ণ গঠনে  ও ঘুমে অনেক সাহায্য করে 

ব্যায়াম বা জিম করা

জিমে গিয়ে ভারউত্তোলন পুস আপ স্কয়াট ইফতারি ব্যায়ামগুলো করুন। এতে করে গ্রহণ করা অতিরিক্ত ক্যালারি চর্বি না জমে পেশীতে যোগ দিবে। কিন্তু দৌড়ানো থেকে এড়িয়ে চলুন কারণ এতে আপনার ওজন কমতি শুরু করে। রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাবেন অন্ততপক্ষে৬-৮ ঘন্টায় ঘুমাবেন। 

যেসব খাবার সতর্কতার সাথে খাবেন

একবারে অতিরিক্ত না খেয়ে দিনে ৬-৭ অল্প অল্প করে পুস্তিকর   খাবার খাবেন। খাবারের আগে পানি খাবেন না পানি খেলে পেট ভরে যায় ফলে খাবারের রুচি কমে যায়। পানির পরিবর্তে ফলের রস বা দুধ পান করুন। জাংফুড একটুও খাবেন না জান ফুড জাঙ্কফুড খেলে অনেক বেশি পরিমাণ চর্বি জমে। অতিরিক্ত মিষ্টি বা ভাজাপোড়া  খাবেন না।

মানসিক চাপ ও ধূমপান মুক্ত থাকা

দুটো মানসিক অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও ধূমপান যেমন এর কারণে মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয় এবং খিদার অনুভূতি ও খাবারের রুচি কমিয়ে দেয়।
 অতিরিক্ত ধূমপান সেবনের ফলে আমাদের লিভার নষ্ট হয়ে যায়এবং ক্যান্সারের মত অনেক মারাত্মক রোগ হয় তাই এগুলো থেকে দূরে থাকবেন। 

কিভাবে খাবার খাবেন

গবেষণায় দেখা গেছে ছোট প্লেটে খাবার খেলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে যাওয়ার অনুভূতি হয়। তাই কখনো ছোট প্লেটে খাবার খাবেন না। না হলে আপ্জানার অজান্তেই আপনি স্বাভাবিক খাবারের চেয়ে ১৫-২০% খাবার বেশি গ্রহণ করতে পারবেন। আর যত বেশি পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করবেন তত তাড়াতাড়ি আপনার ওজন বৃদ্ধি পাবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েযাবে। 

বাদাম বা বীিজাতীয় খাবার 

পকেটে বা আপনার কাজের টেবিলে সব সময় কাঠ বাদাম কাজুবাদাম পেস্তা বাদাম কিচমিচ সূর্যমুখী বীজ ইত্যাদি রাখবেন।
200 গ্রাম বাদামের প্রায় ১০০০-১২০০ ক্যালোরি থাকে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে এক মুঠো বাদাম খেয়ে পেট না বললেও প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি আপনার শরীরে জমা হয়।

ভালো খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে ও মন দিয়ে খাওয়া

কখনোই খাওয়া দাওয়া করে খাবেন না বরং ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাবেন এতে পরিপাকতন্ত্র
ভালো-খাবার-ভালোভাবে-চিবিয়ে-খাবেন


 থেকে হজমকারী হেনামাজি নিয়মগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারে। ফলে খাবারের টাকা প্রতিদিন কার্বন ও ক্যালরি শরীর পুরোপুরি শোষণ করে নেয়।

প্রোটিন যুক্ত সয়াবিন খাওয়া

প্রোটিনযুক্ত সয়াবিন আমাদের শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারী। কারণ এই প্রোটিন যুক্ত সয়াবিনে মাংস থেকেও বেশি প্রোটিন থাকে। ( প্রতি ২০০ গ্রামে তাই১০৪ গ্রাম প্রোটিন ) ক্যালকুলেশন করলে দেখা যায় এই প্রোটিনযুক্ত সোয়াবিনে ৫০% প্রোটিন থাকে সেটা আর অন্য কোন খাবারে পাওয়া যায় না এত পরিমাণ প্রোটিন।

শেষ কথাঃ লেখকের শেষ মন্তব্য

আপনি যদি আপনার হেলথ নিয়ে চিন্তায় থাকেন তাহলে আর কোন চিন্তা করতে হবে না। আমি যেগুলো বললাম এই রুটিন অনুযায়ী যদি আপনি চলেন তাহলে আপনার হেলথ অনেক ভালো হবে এবং শরীর সুস্থ থাকবে থাকবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপডেট আইডি ২৪ এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url