বিবাহিত মেয়েদের পাসপোর্ট করতে কি লাগে

 

বাংলাদেশের বিবাহিত মেয়েদের জন্য পাসপোর্ট করার কাজটি একটু  জটিল বা কঠিন। বিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট করতে করতে বা পুরনো পাসপোর্ট এর ডেট বাড়াতে যেসব কাগজপত্র গুলো লাগবে। 

বিবাহিত-মেয়েদের-পাসপোর্ট-করতে-কি-কি-লাগে


পোস্ট সুচিপত্র: বিবাহিত মেয়েদের পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট বা কাগজপত্র

  1. আপনার পরিচয় পত্র বা NID  আইডি কার্ডের ফটোকপি 
  2. আপনার পাসপোর্ট এর স্বামী বা নিজের নাম, পিতা-মাতার নাম এবং জন্ম তারিখ অবশ্যই মিল থাকতে হবে আপনার পরিচয় পত্র বা NID এর  সাথে
  3. আপনার বয়স যদি ১৮ নিচে হয় তাহলে আপনার ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন এর ফটোকপি লাগবে
  4. বিবাহের মূল সার্টিফিকেট বা কাজিনামা লাগবে
  5. বিবাহের সার্টিফিকেট বা কাজিনামা ইংরেজি ম্যারেড থাকতে হবে। 
  6. আপনার যদি আগের পাসপোর্ট থাকলে মূল পাসপোর্ট ও ডাটা পেজের ফটোকপি
  7. আপনার স্বামীর পরিচয় পত্রবা NID এর ফটোকপি লাগবে
  8. আপনার স্বামী যদি প্রবাসী বা বিদেশি নাগরিক হন তাহলে আপনার স্বামী পাসপোর্ট এর ফটোকপি লাগবে

আপনার যেসব বিষয় মাথায় রাখতে হবে

আপনার-যেসব-বিষয়-মাথায়-রাখতে-হবে


 পরিস্থিতি

 প্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত কাগজপত্র

 আপনার বিবাহের পর যদি প্রথম পাসপোর্ট হয়

 আপনার পরিচয় পত্রে বা NID কার্ডে আপনার বৈবাহিক অবস্থা মানে Mared থাকতে হবে 

 পাসপোর্টে আপনার স্বামীর নাম মুক্ত বা পরিবর্তন

আপনার প্রথম কাজ করে যদি আপনার স্বামীর নাম না থাকে তাহলে নতুন করে যুক্ত করতে হবে 

 দিবস বা নতুন বিবাহ

 আপনার পরিচয় পত্র বা NID কার্ডে ও ম্যারেজ স্বাধীনের জমা দিতে হবে

পাসপোর্ট মেয়াদ ও ধরন নির্বাচন

ই পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রে আপনি দুইটি মেয়াদ এবং ভিন্ন পাতার সংখ্যা বাছাই করে নিতে পারেন। 

 মেয়াদ

ই পাসপোর্টে বাংলাদেশ থেকে দুই টি নেয়ার পাবেন ৫ বৎসর আর১০ বছর

 পাতা

 ৪৮ আর ৬৪ আপনি যদি ২-৩ বছরের মধ্যে বিদেশ থেকে ঘুরে আসতে চান তাহলে আপনাকে৪৮ পাতায় নিলে ভালো হবে। আপনাকে যদি ব্যবসার কাজে বা যে কোন কাজে কিছুদিন পরপর বিদেশ যেতে হয় তাহলে আপনাকে ৬৪ পাতা নিতে হবে

 ডেলিভারি ধরন

 সাধারণত ১৫ কার্যদিবস খরচ সবথেকে সাশ্রয়ী। সাধারণত৭ কার্যদিবস আপনার  জরুরী চিকিৎসা বা দ্রুত বিদেশ যাত্রার ক্ষেত্রে


 তথ্য ভুল হলে তা সংশোধনের নিয়ম আপনার পাসপোর্ট এর সাথে পূরণ হয়ে থাকা

পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে তাদের প্রধান সত্য হলো আপনার পরিচয় পত্রবা NID কার্ড এর আপনার পাসপোর্ট এর সাথে পুরোপুরি হয়ে থাকা।
  1. আপনার বিয়ের পর আপনার পাসপোর্ট এ যদি আপনার স্বামীর নাম না থাকে তাহলে যুক্ত করার জন্য প্রথমে আপনাকে আপনি পরিচয় পত্র বা NID কার্ড এর আপনার স্বামীর নাম যুক্ত করতে হবে।
  2. আপনার পাসপোর্টে আপনার নাম বা পিতা মাতার নামের বানানে কোন ভুল থাকে তাহলে আপনার সরকারি পরিচয় পত্র বা NID কার্ড  অনুযায়ী ঠিক করতে হবে।
  3.  বিয়ের পর যদি আপনার স্বামীর ঠিকানা আপনার পাসপোর্টে না থাকবা আপনার বর্তমান ঠিকানা না থাকে তাহলে বর্তমান ঠিকানা ঠিক করার জন্য আপনার ইউনিয়ন কাউন্সিলে সার্টিফিকেট জমা দিবেন।

আপনার বিশেষ বা অতিরিক্ত কাগজপত্র


 পরিস্থিতি

 অতিরিক্ত কাগজপত্র

 ডিভোর্স প্রাপ্ত বা তালাক প্রাপ্ত 

 সরকারি রেজিস্টাড কাজী বা  উকিল কাছে গিয়ে ডিভোর্স পেপার তৈরি জন্য আবেদন করা ডিভোর্স পেপার লাগবেন 

 বিধবা

 আপনার স্বামী যদি মারা গিয়ে  থাকে তাহলে আপনার স্বামী মৃত্যুর সনদ এবং স্বামীর পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট এর ফটোকপি রাখবেন

 পুণ্যবিবাহ

 আপনার পূর্বের তালাক নামাবা ডিভোর্সের ফটোকপি এবং নতুন বিবাহের ম্যারেজ সার্টিফিকেট রাখবেন

 পাসপোর্ট অফিসে ভাইবার বস্তুতি

আপনি যেইদিন পাসপোর্ট অফিসের ছবি তুলবেন ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট জমা দিতে যাবেন। সেই দিন যে সব বিষয় মনে রাখবেন

 বিষয়

 মনে রাখবেন

 আপনার পোশাক

আপনার ছবি তোলার সময় আপনি অতিরিক্ত মেকআপ বা অতিরিক্ত অলংকার করবেন না যাতে আপনার স্বাভাবিক মুখ ঢেকে ফেলে

 হিজাব বা বোরখা

 আপনার হিজাব বা বোরকা পরা অবস্থায় ছবি তোলা যায় তবে আপনার ফ্রেশ পুরোপুরি দেখাতে হবে। এক কথায় আপনার কপাল থেকে থুতনি পর্যন্ত সম্পন্ন খুলে রাখতে হবে যাতে আপনার ফেসটা ছবিতে বুঝা যায়

 জরুরী কাগজপত্র বা ফাইল সাজানো

 একটি ক্লিয়ার ফাইলে সিরিয়াল করে আপনার সমস্ত  প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সেখানে রাখবেন যাতে করে আপনার হঠাৎ করে কোন কাগজ দরকার হলে সেটা খুঁজতে আপনার অসুবিধা না হয়

 যেসব ভুল একদম করবেন না

  1. অনলাইন ফরম পূরণের অবশ্যই মনে রাখবেন অনলাইন ফর্ম পূরণের সময় আপনার ম্যারিড স্ট্যাটাস  অবশ্যই  ফ্রমে পূরণ করবেন এবং আপনার স্বামীর নাম জাতীয় পরিচয় পত্র বা NID কার্ড অনুযায়ী নির্মূল রাখবেনল 
  2. আপনার বৈবাহিক অবস্থা মেরি দিয়ে স্বামীর নামের ঘর যদি খালি রাখেন তাহলে অ্যাপ্লিকেশন প্রসেসে আটকে যাবেন।
  3. আপনার স্থায়ী ঠিকানা বিয়ের পর আপনার স্ত্রী ঠিকানা বাবার বাড়ি না শ্বশুর বাড়ি দিবেন হতে পারতেছেন না যদি এইরকম সমস্যা হয় তাহলে আপনার পরিচয় পত্রবা NID কার্ড অনুযায়ী দিতে পারেন। 

আপনার পেশা নির্বাচন করুন

  1. আপনার পেশায় যদি আপনি যদি গৃহিনী দেন তাহলে আপনাকে আর কোন অতিরিক্ত কাগজপত্র জমা দিতে হবে না। 
  2. আর যদি চাকরিজীবী দেন তাহলে আপনি কোথায় চাকরি করেন এনজিও বা প্রাইভেট কোম্পানিতে যদি চাকরি করেন তাহলে আপনার অতিরিক্ত চাকরি সার্টিফিকেট লাগবে। আর যদি আপনি সরকারি চাকরি করেন তাহলে আপনাকে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে  এইতো আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
  3. আর আপনি যদি রাজি শিক্ষার্থীর হন তাহলে আপনাকে আপনার শেষ প্রতিষ্ঠানের স্টুডেন্ট কাট বা আপনার ভর্তি ফরম দেখাতে হবে

লেখকের শেষ মন্তব্য

আপনি যদি বিদেশ যেতে চান তাহলে অবশ্যই আমার কথাগুলো বা নিয়মগুলো মেনে পাসপোর্ট করতে যাবেন তাহলে থাকে কোন মুখোমুখি হতে হবে না। এতে করে আপনি অল্প সময়ে আপনার পাসপোর্ট হাতে পেয়ে যাবে। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপডেট আইডি ২৪ এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url