ফিন্যান্সার জন্য ডলার রিভিউ করার পদ্ধতি

 
আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চাচ্ছেন তা হলে বা অলরেডি শিখে গেছেন কিভাবে টাকা আপনার ফোনে নিবেন সেটা নিয়ে আলোচনা করব। আপনি যদি একজন ফিন্যান্সার হোন তাহলে আপনার ক্লায়েন্টের টাকা নেওয়ার জন্য পেওনিয়ার এখন থাকা অনেক জরুরী।
ফিন্যান্সার-জন্য-ডলার-রিভিউ-করার-পদ্ধতি


ইউটিউব, ফেসবুক মার্কেটার হন তাহলে আপনার টাকা তোলার জন্য payoneer অনেক প্রয়োজন।কারণ বিদেশীরা বাংলা টাকা তো দেয় না ডলার দেয় সে ডলার ভাঙ্গানোর জন্য আপনাকে অবশ্যই পাইনার অ্যাকাউন্ট লাগবে তো আজকে আমরা জানবো কিভাবে পাইনার অ্যাকাউন্ট খুলবেন কেন পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট খুলবেন এইসব বিষয় এ তো আমাদের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়লে আপনি সবকিছু জানতে পারবেন এই জন্য সম্পূর্ণ আরটিকেল পড়ার জন্য অনুরোধ থাকলো। 
পোস্ট সুচিপত্র:ফিন্যান্সার জন্য ডলার রিভিউ করার পদ্ধতি 

ডলার রিভিউ করার জন্য পেওনিয়ার একাউন্টের প্রয়োজনীয়তা

এই পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট হলো আমেরিকার একটি আর্থিক সংস্থা যা অনলাইন অর্থ এবং ডিজিটাল পেমেন্ট প্রদানে অনেক সুবিধা দিয়ে থাকে এখান থেকে টাকা তুলতে কখনো কোনো সমস্যায় পড়তে হয় না। অন্যান্য একাউন্টে অনেক সমস্যা হয় অনেকেই বলে কিন্তু এই অ্যাকাউন্টে কখনোই কোন সমস্যা হয়নি আর আশা করা যায় ভবিষ্যতে হবে না। আন্তর্জাতিক অর্থ গুলোর অনেক জটিলতা কমায় ফেলে এবং খরচ সাশ্রয় হয় অনেক বেশি। বাংলাদেশে বসে বা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে ডলার ছড়াছড়ি আপনি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিয়ে আসার জন্য পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টের কেন প্রয়োজনঃ

আমেরিকা থেকে ডলার সরাসরি আপনি আপনার ব্যাংকে টাকা আনতে গেলে তা আন্তর্জাতিক ওয়ার ট্রান্সফার হিসেবে আসে। এ ধরনের চান্স করে খরচ অনেক বেশি পরে এবং সময়ও অনেক লাগে অন্যান্য অ্যাকাউন্ট থেকে কিন্তু এই পেওনিয়ার একাউন্টে খরচ অনেক কম এবং সময় অনেক কম লাগে। পেওনিয়ার আপনাকে একটি ভার্চুয়াল USD রিসিভিং অ্যাকাউন্ট দেয় যেটা একটি আমেরিকান ব্যাংক একাউন্ট নম্বর এবং রাউটিং নম্বর থাকে। এটার কারণে আপনারা আমেরিকার ক্লাইন্টরা

আপনাকে টাকা পাঠাতে পারবে যেন তাদের আমেরিকায় কোন ব্যাংকের টাকা পাঠাচ্ছে এতে করে আপনার ক্লাইন্টরাদেও পেমেন্ট করা সহজ হয় এতে করে তারা অনেক খুশি হয়। আন্তর্জাতিক ব্যাংক থেকে টাকা বাংলাদেশে আনার জন্য SWIFT কোড IBAN এবং আরো বিভিন্ন বিবরণের প্রয়োজন হয় যেটাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। আর একবার যদি ভুল হয় কোন একটি কোড তাহলে আপনি আর টাকা পাবেন না। আর অন্যদিকে পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে এসব কোন জটিলতা

থাকে না যেটা পেমেন্ট প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ করে তোলে এবং ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম আয় দেয় ফলে আপনি নিশ্চিন্তে আপনার টাকা আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন। আপনি আপনার পেওনিয়ার একাউন্টে ডলার নেওয়ার পর আপনি আপনার টাকা সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা আপনার বিকাশেও নিতে পারবেন। এইভাবে টাকা নিতে আপনার কোন টাকা পয়সা খরচ হয় না আপনার এবং খুব তাড়াতাড়ি আপনি আপনার টাকা নিতে পারবেন আপনার বিকাশ একাউন্টে অথবা ব্যাংকে একাউন্টে এতে আপনার সময় বাসে এবং টাকাও সাসপেন্ড হয়।

পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ধারনা

পেওনিয়ার হলো এক ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম যা মূলত অনলাইন পেমেন্ট সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। অন্যান্য ব্যাংকিং ব্যবস্থা গুলো ব্যবহারকারীদের জন্য ভার্চুয়াল ব্যাংক একাউন্ট পিপেইড মাস্টার কার্ড দেয় না। কিন্তু পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট তার ব্যবহারকারীদের জন্য পিপেইড মাস্টার কার্ড প্রদান করে থাকে যাতে তার ব্যবহারকারীরা খুব সহজে এবং তাড়াতাড়ি টাকা উত্তোলন করতে পারে। এই ক্ষেত্রে একজন ফিনান্সার খুব সহজে তার ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ডলার তার ব্যাংক
আমার-পেওনিয়ার-অ্যাকাউন্টটি-সম্পূর্ণ-দেখতে-পাচ্ছেন


একাউন্টে বা বিকাশেও নিতে পারবে। এমনকি একজন এই মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে ইউরোপের ইউরোটে পেমেন্ট নিতে পারে। সহজ ভাষায় বলতে  পেওনিয়ার একটা ব্যাংক একাউন্ট এর মতোই কিন্তু পুরোপুরি ব্যাংক না।  পেওনিয়ার আপনাকে একটা বিশেষ অ্যাকাউন্ট খুলে দেয় যেটা দেখে আপনি আমেরিকার ব্যাংক থেকে একাউন্ট এর মতই বা অন্যান্য দেশের আইনের কাছ থেকে টাকা পাঠায়।  তখন তারা আমেরিকা একাউন্টে টাকা পাঠায় ঠিক যেন তারা তাদের দেশের কোন বন্ধুকে টাকা পাঠাচ্ছে।

এই টাকাটা আসলে আপনার পেওনিয়ার একাউন্টে জমা হচ্ছে পরে আপনি এই টাকাটা আপনার বাংলাদেশী ব্যাংকে অথবা আপনার বিকাশেও পেমেন্ট নিতে পারবেন এটা কোন বিশেষ চার্জ কাটে না অন্যান্য ব্যাংকে যেমন এই সে হাবিজাবি টাকা পয়সা কাটে এমন কোন টাকা কাটে না ফলে আপনার টাকা ও সঞ্চয় হয়। এ  পেওনিয়ার একাউন্ট মনে করেন আপনার এক ধরনের অনলাইন মানিব্যাগ যা থেকে আপনি বিদেশ থেকে টাকা আনতে পারবেন আবার বিদেশে টাকা পাঠাতে পারবেন।

এটা এমন একটা মাধ্যম যা দেশের সীমার বাইরে থেকে টাকা খুব সহজে লেনদেন করা যায়। কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়া এবং দ্রুত পেমেন্ট করা যায়। যেমন আমরা এক শহর থেকে আরেক শহরে বিকাশে টাকা পাঠায় ঠিক তেমনি এই পেওনিয়ার একাউন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিদেশে টাকা পাঠাতে পারব আবার দেশটা বাংলাদেশে টাকা নিতে পারব। 

 পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলবেন

পেওনিয়ার একাউন্ট খোলার জন্য প্রথমে আপনার হাতে থাকা মোবাইল ফোন অথবা ল্যাপটপ থেকে পেওনিয়ার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ঢুকতে হবে। তারপর আপনার সামনে is you business registered with any government businees-licensing or tax authority? নিচে লেখা আরো লেখা থাকবে no yes এটার মানে আপনার যদি হলো আপনার যদি কোন অনলাইন বিজনেস অথবা কোন ব্যবসা থাকে তাহলে আপনি yes চাপ দিবেন। আর যদি আপনার কোনো বিজনেস অ্যাকাউন্ট অথবা কোন ব্যবসা না থাকে no তে চাপ দিবেন। আপনি যদি আপনার বিজনেস একাউন্টে জন্য পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট খুলতে চান তাহলে yes দিবেন আপনি যদি একজন ফিনান্সার বা কনটেন্ট কিউটর বা আপনি যদি একজন ডিজিটাল মার্কেটার অথবা আপনি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলতে চান তাহলে ওখানে no দিবেন। তারপর নিচে আপনাকে ছোট্ট একটা ফরম পূরণ করতে হবে প্রথমে প্রথম আপনার নাম তারপর লাস্ট নাম তারপরে আপনার ইমেইল এড্রেস তারপরে আবার আপনার ইমেল এড্রেস দিতে হবে যেটা যেইটা উপরে দিয়েছেন সে সে আপনার ডেট অফ বার্থ অর্থাৎ জন্ম তারিখ দিতে হবে। আপনার যদি পাসপোর্ট থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার পাসপোর্ট অনুযায়ী আপনার নাম আপনার এড্রেস সবকিছু পাসপোর্ট অনুযায়ী দিতে হবে আর আপনার ইমেল আইডি সচল দিতে হবে অর্থাৎ আপনি যেটা ব্যবহার করেন আপনার পার্সোনাল ইমেল আইডি ওখানে দিবেন। অবশ্যই ভালো করে দেখে পূরণ করবেন যেন কোন কিছু ভুল না যায়। তারপর next অপশনে যাবেন এরপর আপনার সামনে আসবে Country তারপর Street and numbar এরপর Mobile numbar এটাতে এড্রেস আপনাকে অবশ্যই পাসপোর্ট এর এড্রেস হতে হবে যদি আপনি চান অ্যাড্রেসটা আপনি ইচ্ছামত দিবেন তাহলে আপনাকে Enter address manually সিলেক্ট করতে হবে তাহলে আপনাকে Street and numbar এরপর More address details তারপর City/Town তারপর Postal/Zlp code এরপর Mobil numbar দিবেন অবশ্যই যেটা আপনি ব্যবহার করেন সেটা দিবেন কারণ আপনার মোবাইল নাম্বারে কোড পাঠাবে এরপর Send code অপশনে ক্লিক করবেন তাহলে আপনার ফোনে কোড পাঠাবে সেই কোডটি নিচে বসাবেন। তারপর NEXT চাপ দিবেন এরপর দেখতে পাবেন আপনাদের ইমেইল এড্রেসটা উপরে দেখাবে। এরপর আপনাকে আপনার একাউন্ট সাইন ইন করার জন্য একটা পাসওয়ার্ড দিতে হবে অবশ্যই পাসওয়ার্ডটি ৭ ক্যারেক্টারে হতে হবে তার মধ্যে একটি A একটি1 আর কয়েকটি স্পেশাল ক্যারেক্টার দিবেন যাতে আপনার পাসওয়ার্ডটি অনেক কঠিন হয়  অবশ্যই আপনি পাসওয়ার্ডটি মনে রাখবেন। এরপর সিকিউরিটি করচিন দিতে হবে এখানে আপনি আপনার মনমতো একটি করচিন  নিবেন অনেকগুলো পাবেন তারপরে অ্যানসার দিবেন যে করচিন সিলেক্ট করেছেন ওই করচিন অনুযায়ী এরপর ID type তারপর ID numbar আপনি ID type কি আইডি দিতে চাচ্ছেন আপনার ভোটার আইডি দিবেন নাকি পাসপোর্ট দিবেন তিনটা পাবেন যেটা দিবেন ওখানে সিলেট করবেন তারপর যে আইডিটা আপনি দিবেন ওই আইডি নাম্বার ID numbar নাম্বারে দিয়ে দিবেন। তারপর NEXT চাপ দিবেন এরপর দেখতে পাবেন আপনার নিজের যে ব্যাংক একাউন্ট আছে আপনার পাসপোর্ট এর যে নামটা সেই নামের সাথে আপনার নাম দিতে হবে না হলে আপনার পেওনিয়ার  একাউন্টটি এপ্রুভ না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে অবশ্যই এটা ইংরেজিতে লেখা আছে আমি বাংলাতে আপনাদের বললাম। এরপর নিচে দেখবেন কোন দেশের ব্যাংক তারপর ব্যাংক একাউন্টের নাম চাইবে এইসব পূরণ করার পর যদি কোথাও লাল চিহ্ন হয় তাহলে আপনাকে। উপর থেকে ব্রাঞ্চ সিলেক্ট করতে হবে  এর পরে আপনাকে ব্যাংক একাউন্ট ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ব্যাংকের নাম তারপর ব্যাংক একাউন্ট তারপর আপনাকে আইডি লিখতে হবে তারপরে পাসপোর্ট নাম্বার টা আইডি টাইপ হিসেবে দিয়ে দিবেন। এরপরে নিচে দুইটা টিক চিহ্ন দিয়ে দিবেন তারপরে সাবমিট বাটন দেখতে পাবেন তবে আগেই সাবমিট করবেন না তার বাম সাইডে দেখবেন একটা তীরের মত অপশন আছে ওখানে টিপ দিলে আপনি আগের পেজগুলোতে যাইতে পারবেন আপনি কোন ইনফরমেশন ভূল দিয়েছেন এসব দেখতে পারবেন। আর অবশ্যই মাথায় রাখবেন একজন মানুষের জন্য একটাই পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন একটু যদি আপনি ইনফরমেশন দিতে ভুল হয় তাহলে কিন্তু অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভাল হবে না তাই খুব সাবধানে সাথে এবং সাবমিট করার আগে একবার যায় পুরো ইনফরমেশন গুলো ভালো করে চেক দিবেন। তারপর সাবমিট দিবেন সাবমিট করার পরে যদি সাকসেসফুলি দেখায় তাহলে আপনাকে দুইটা স্টেপ বা দুইটা ধাপ দেখতে পাবেন প্রথম ধাপটি হলো আপনি এতক্ষণ ধরে যেসব ফরম পূরণ করলেন এটাই হল প্রথম ধাপ এপ্লিকেশনে এবং দ্বিতীয় ধাপ হলো কনফার্মেশন ইমেইল পাবেন যদি আপনার এটা একসেপ্ট করা হয় আর যদি আপনার কোন ইনফরমেশন দিতে ভুল না হয় তাহলে অবশ্যই একসেপ্ট করবে আপনি আপনার কনফার্মেশন পেয়ে যাবেন। এরপর আপনার কাজ হলো পেমেন্ট রিসিভ করবেন এবং ট্রানজেকশন বসাবেন। আপনার ইমেইলে যখন কনফার্মেশন দিবে তখন দেখবেন ভেরিফাই ইউর email একটি অপশন থাকবে ওখানে চাপ দিয়ে আপনার ইমেইল ভেরিফাই করে নিবেন লগইন করার পরে তাহলে আপনার প্রতিষ্ঠি পরিপূর্ণ কমপ্লিট হবে।

পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট কিভাবে কাজ করে

পেওনিয়ার মূলত আপনাকে বিভিন্ন দেশের ডলার বা মুদ্রা লেনদেন করার জন্য ভার্চুয়াল ব্যাংক একাউন্ট খুলে দেয়। এর মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশের বা মার্কেট প্লেস এর টাকা সরাসরি আপনার পেওনিয়ার একাউন্টে গ্রহণ করতে পারবেন। তারপর সেই টাকা পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি আপনার ব্যাংকে অথবা বিকাশে নিতে পারবেন। পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে আপনি, জাপান, কানাডা, আমেরিকা ইত্যাদি দেশ থেকে ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে অথবা বিকাশের মাধ্যমে

পেমেন্ট নিতে পারবেন এতে অনেক খরচ কম হয় এবং অনেক দ্রুত পেমেন্ট চলে আসে আপনার বিকাশে বা ব্যাংক একাউন্টে। আপনি একটি পেওনিয়ার মাস্টার কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন সেটা থেকে আপনি বিজ্ঞাপনের টাকা বিভিন্ন অনলাইন প্লেসের টাকা তুলতে পারবেন এবং বিভিন্ন দোকানে কেনাকাটা করতে পারবেন আবার এটিএম থেকে নগদ টাকা তুলতে পারবেন।

 পেওনিয়ার থেকে পেওনিয়ার একাউন্টে টাকা পাঠাতে কোন খরচ লাগে না এছাড়াও আপনি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন। এতে করে কোন ঝামেলা হয় না বা পেমেন্ট পেতে কোনো দেরি হয় না খুব তাড়াতাড়ি পেমেন্ট উঠাইতে পারবেন আপনার ব্যাংক একাউন্ট অথবা বিকাশেও নিতে পারবেন। 

পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টে থেকে আপনার বিকাশে টাকা নেওয়ার পদ্ধতি

পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে বিকাশে টাকা নেওয়ার জন্য প্রথমে আপনার বিকাশ অ্যাপে ঢুকবেন। তারপর আরো দেখুন এখানে চাপ দিবেন এরপরে আরো কিছু অপশন দেখতে পাবেন। এখান থেকে নিচের দিকে থাকা রেমিটেন্স অপশনে চাপ দিবেন তারপর আপনার পেওনিয়ার অপশনটি সিলেক্ট করুন এরপর আপনার কাছে দুইটি অপশন আসবে একটি হলো পেওনিয়ার একাউন্ট খুলুন যদি আপনার একাউন্ট না খোলা থাকে তাহলে এখান থেকে অ্যাকাউন্টটি খুলতে পারবেন। আর একটি হলো
পেওনিয়ার-অ্যাকাউন্ট-থেকে-বিকাশ-যোগ-করতেছি


আপনার পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট লিংক করুন আপনার যদি পেনিয়ার একাউন্ট খোলা থাকে তাহলে লিঙ্ক করুন অপশনে চাপ দিবেন। এরপর আপনার কাছে পেওনিয়ার একাউন্টের লগ ইন চাইবে প্রথমে আপনার জিমেইল বা ইউজার নেম দিতে হবে তারপরে পাসওয়ার্ড দিতে হবে আপনার পেওনিয়ার একাউন্টের অবশ্যই সঠিক পাসওয়ার্ড এবং জিমেইল দিবেন। তারপরে সাইনিং বাটনে চাপ চাপ দিবেন তাহলে লগইন নিয়ে নিবে। আপনার পেওনিয়ার একাউন্টের নিরাপত্তার জন্য আপনার

রেজিস্টার করা মোবাইল নাম্বারে একটি কোড পাঠাবে সে কোডটি পেস্ট করবেন এবং সাবমিট করবেন।এরপরে আপনাকে একটি কোড দিবে আপনি চাইলে করতে কপি করে রাখে দিতে পারেন যদি ভবিষ্যতে রিকভারি করতে হয়। এরপর বিকাশ কে আপনার পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টে কানেক্ট করার জন্য এগ্রি বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টে বিকাশের সাথে সংযুক্ত হয়ে যাবে।এরপর আপনার পেজটি একটু লোডিং নিবে এবং আরেকটি নতুন পেজে নিয়ে যাবে নতুন পেজটি না

আসা পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করবেন। একাউন্টে লিংক হওয়ার পর যে পেজটি আসবে ওখানে উপরে আপনার অ্যাকাউন্টে অ্যাকাউন্টটি এবং আপনার জিমেইল শো করবে আর নিচে এই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা আনো নাই এই অপশনটি শো করবে বা দেখা যাবে ওখানে টিপ দিবেন সেখানে আপনার অ্যাকাউন্টের বর্তমান ব্যালেন্স দেখতে পাবেন কত ডলার আছে সেটা আপনি যেই পরিমাণের ডলার

আপনার বিকাশে আনতে চান সেটা লিখে দিবেন এবং এগিয়ে যান বাটনে চাপ দিবেন। এরপর পেজটি লোডিং হবে এবং যেই দিন ডলার বিকাশে নিয়ে আসবেন সেই দিনের ডলার রেট কত এবং আপনি যেটুকু ডলার বিকাশ বাংলা টাকায় কত টাকা সেটা দেখতে পাবেন। এরপর এগিয়ে যান বাটনে ক্লিক করবেন এরপর আরেকটি নতুন পেজ আপনার সামনে আসবে আপনার রিকোয়েস্টের সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এরপর কিছুক্ষণের মধ্যে আপনার ফোনে এসএমএস আসবে বিকাশে কাজিন হওয়া। 

পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টে সুযোগ সুবিধা

পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট যেকোন ব্যক্তির জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একসাথে ব্যবসা পরিচালনা করার মত কোন এক নির্দিষ্ট দেশের ব্যবসা করার মতো সহজ করে দিয়েছে।অ্যাকাউন্ট অ্যাকাউন্ট আপনাকে একটা ভার্চুয়াল USD রিসিভিং অ্যাকাউন্ট দেয় এই অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যবসা পার্টনার অথবা ব্যবসার সকল লেনদেন আপনি যে কোন দেশ থেকে খুব সহজেই করতে পারবেন যেন মনে হয় আপনি যেই দেশে আছেন ওই দেশ থেকে আপনার কোন বন্ধুকে টাকা পাঠাচ্ছেন। আপনি যদি

ফিন্যান্সের হন অথবা ডিজিটাল মার্কেটার হন তাহলে আপনার ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে লেনদেন করা অনেক সহজ করে দিয়েছে। আপনার ক্লায়েন্ট যখন আপনাকে টাকা পাঠাবে তখন যেন তাদের মনে হয়যে তার দেশের কোন বন্ধুকেই টাকা পাঠাচ্ছে। পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে আপনি দেশ-বিদেশের লেনদেন খুব সহজেই করতে পারবেন এমনকি আপনার পরিবারের কেউ যদি প্রবাসী হয় তারা টাকা  খুব সহজে আপনাকে পৌঁছে দিতে পারবে। অথবা আপনার ফ্যামিলিকে কেউ যদি বিদেশে পড়াশোনা জন্য

যায় তাহলে তাদের কাছে আপনি খুব সহজেই বাংলাদেশ থেকে টাকা পাঠাতে পারবেন। কোন ঝামেলা ছাড়া খুব তাড়াতাড়ি টাকা পৌঁছে দিতে পারবেন এতে করে আপনার মনে হয় যেন আপনি বাংলাদেশে আপনার কোন আত্মীয়-স্বজনকে টাকা দিচ্ছেন বিকাশের মাধ্যমে ঠিক তেমনি মনে হবে। বিভিন্ন দেশের টাকা পাঠাতে আপনার যেই বাড়তি ঝামেলা হত এই ঝামেলাটা আর হবে না এই পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট
এর মাধ্যমে টাকা পাঠাতে যে খরচ লাগবে সে খরচও লাগবে না পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে টাকা পাঠালে আপনার টাকাও সঞ্চয় হচ্ছে। 

পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টে নিরাপত্তা সম্পর্কে

পেওনিয়ার বিদেশি আর্থিক সংস্থা এই সংস্থায় নিরাপত্তা সর্বোচ্চ দিয়ে রাখে এবং এটি ব্যবহারকারীদের অর্থ বা ব্যক্তিগত তথ্য অনেক বেশি সুরক্ষিত রাখে। পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টে আপনি যখন টাকা উত্তোলন করবেন তখন আপনার পাসওয়ার্ডের সাথে সাথে আপনি যে ফোন দিয়ে রেজিস্টার করেছিলেন ওই ফোনে একটি কোড পাঠাবে সেই কোডটি দিলে বা আপনার টাকা উত্তোলন হবে তার আগে হবে না। এতে করে আপনার পাসওয়ার্ড যদি ফাঁসও হয়ে যায় তাও কেউ টাকা উঠাইতে পারবে না আপনার ফোন

 নাম্বার ছাড়া এটা আমার পার্সোনালি অনেক বেশি ভালো লাগছে। এরপর আপনার পার্সোনাল ডাটা বা ইনফরমেশন সুরক্ষিত রাখার জন্য অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট একটি শক্তিশালী জালিয়াতি প্রতিরোধ ব্যবস্থা করেছে আপনার প্রতিটি লেনদেন একাউন্টে গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে লেনদেন প্রদান করে। আপনার একাউন্টে কোন অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক কোন কিছু দেখতে পেলে যেমন আপনি যদি একদিনে একাধিকবার লগইন করার চেষ্টা করেছেন এরকম কিছু দেখতে পেলে তারা সাময়িকভাবে আপনার অ্যাকাউন্ট ইউজ করে দেয় এতে আপনার কোন ক্ষতি হওয়ার আগেই। 

ফিন্যান্সারদের জন্য কেন পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করা উপযুক্ত

ফ্রিল্যান্সারদের ডলার রিভিউ করার জন্য পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টের চেয়ে ভালো অন্য কিছু হতে পারে না কারণ এটি আন্তর্জাতিক লেনদেনের জটিলতা অনেক সহজ করে দিয়েছে। আবার যে কোন ব্যক্তি যদি পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট খুলে তাহলে তাকে ভার্চুয়াল আমেরিকান ব্যাংক একাউন্ট সরবরাহ করা হয় পেমেন্টনেওয়ার জন্য।

আপনার ক্লাইন্ট যখন আপনাকে টাকা পাঠাবে তখন তাদের যেন মনে হয় তারা তাদের দেশের কোন বন্ধুকে টাকা পাঠাচ্ছে। আবার এই পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আপনি যে কোন দেশে থেকে টাকা লেনদেন করতে পারবেন। খুব কম খরচে এবং অল্প সময়ে তাই জন্য আমার কাছে মনে হয়েছে ফিন্যান্সারদের জন্যপেওনিয়ার অ্যাকাউন্টের ব্যবহার করা অনেক উপযোগী।

পেওনিয়ার ভার্চুয়াল কার্ড অর্ডার করার নিয়ম

পেওনিয়ার ভার্চুয়াল কার্ড অর্ডার করার জন্য আপনার পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টে ১০০ ডলার থাকতে হবে।তাহলেই আপনি পেওনিয়ার ভার্চুয়াল কার্ড অর্ডার করতে পারবেন। যদি আপনার পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টে ১০০ ডলার না থাকে তাহলে আপনি পেওনিয়ার ভার্চুয়াল কার্ড অর্ডার করতে পারবেন না।যদি আপনার পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টে ১০০ ডলার থাকে আর আপনি যদি কার্ড অর্ডার করতে চান তাহলে প্রথমে আপনাকে আপনার হাতে টাকা স্মার্টফোন অথবা ল্যাপটপ, কম্পিউটার থেকে

পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট লগইন করতে হবে। লগইন করার পরে নিচে দেখতে পাবেন কার্ডস নামের একটি অপশন আছে সেখানে ক্লিক করবেন। এরপর দেখতে পাবেন কার্ড অর্ডার নাও একটি অপশন আছে ওখানে চাপ দিবেন আর অবশ্যই আপনার পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টে ১০০ ডলার থাকতে হবে না হলে কিন্তু কার্ড পাবেন না। এরপর আপনি দেখতে পাবেন দুই ধরনের কার্ডের অপশন চলে এসেছি একটি ভার্চুয়াল আর একটা ফিজিক্যাল কার্ড এরপর নেক্সট লেখা দেখতে পাবেন ওখানে চাপ দিবেন।

এরপরে আপনাকে কারেন্সি দেখাবে আপনি কোন কারেন্সির কাজ নিতে জানেন ওখানে দুই ধরনের কারেন্সি থাকবে একটা একটা কারেন্সি ইউএসডি জিপিপি এই ৩ ধরনের অপশন পাবেন। এরপর নিচে দেখবেন রিভিউ অর্ডার নামের একটি অপশন থাকবে ওখানে চাপ দিবেন এরপর অর্ডার সাবমিট নাও বাটনে চাপ দিবেন তাহলেই আপনার অর্ডার সাবমিট হয়ে যাবে এরপর ২৪ ঘন্টা পর দেখতে পাবেন কার্ডের ওখানে Provide info now নামের একটি অপশন দিবে। ওখানে চাপ দিবেন এরপরে একটি অপশন পাবেন ভার্চুয়াল কার্ড ওই অপশনে চাপ দিবেন এরপরে সাবমিট নামের একটি অপশন দেখতে

পাবেন ওখানে চাপ দিবেন এরপর আপনার এড্রেস ভেরিফাইয়ের জন্য আপনার ব্যাংকের ডকুমেন্ট দিতে হবে। ওখানে আপনার ব্যাংকের হেডার থাকবে স্টেটমেন্ট ডেট থাকবে আপনার নেম অ্যাড্রেস এগুলো থাকবে এর সাথে আপনাকে দেখতে হবে ব্যাংকের কর্মকর্তার সিল এবং স্বাক্ষর সাথে নাম যেন থাকে আপনি যদি এরকম ডকুমেন্ট চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই আপনার ব্যাংকে যাইতে হবে কিন্তু স্টেটমেন্ট নিলে হবে না ট্রিটমেন্ট এর মধ্যে এগুলো থাকে না। এরপর আপনাকে ব্রাউজার সিলেক্ট করতে হবে এবং গ্যালারি থেকে ফটোটি সিলেক্ট করতে হবে তারপর সাবমিট বাটনে চাপ দিবেন।

ডকুমেন্ট সাবমিট হয়ে গেলে লেখা আসবে ধন্যবাদ আপনার সাবমিটটি ইনফরমেশন রিকোয়েস্ট এরপর আপনি অপেক্ষা করবেন ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত যখন ভেরিফাই হয়ে যাবে তখন আপনি দেখতে পাবেন আপপ্রুপ অপশন চলে আসবে অবশ্যই আপনার ডকুমেন্টটি সঠিকভাবে দিবেন।আপনি আপপ্রুপ পেয়ে গেলে আপনি আপনার পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টে যাওয়ার পর কার্ড অপশনে যান তাহলে দেখতে পারবেন ওখানে ভার্চুয়াল কার্ড একটি অপশনটি চলে এসেছে ওখানে আপনি একটিভ

 কার্ডে ক্লিক করবেন। তারপরে আপনাকে ৪ সংখ্যার একটি পিন নাম্বার দিতে হবে দুইবার তাঞ্জেকশনের সময় আপনার এই পিকটাই প্রয়োজন হবে তাই অবশ্যই যে কিনে দিবেন মনে রাখবেন। এর পরে দেখতে পাবেন নিচে কয়েকটি কন্ডিশন আছে সবগুলো টিক মার্ক দিয়ে দিবেন এবং নিচে থেকে অ্যাক্টিভ লেখাতে ক্লিক করবেন এরপরে আপনার ফোনে একটি কোড যাবে । ওই কোডটি সাবমিট করে দিবেন তাহলে দেখতে পাবেন আপনার কার্ড একটিভ হয়ে যাবে।

শেষ কথাঃ লেখকের শেষ মন্তব্য

আমি শুধু একটা কথাই বলতে চাই আপনি যদি একজন ফিনান্সার হন অথবা একজন ব্লগার হন বা আপনার কোন অনলাইন বিজনেস থাকে তাহলে আমি বলব অবশ্যই আপনি পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন। এতে করে আপনি খুব সহজেই আপনার বিদেশি ক্লাইন্ট এর কাছ থেকে অথবা ব্যবসার কোন লেনদেন খুব সহজে করতে পারবেন কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়া যেন আপনার মনে হবে আপনার দেশের কোন বন্ধুর কাছে টাকা পাঠাবেন। এতে করে আপনার অন্যান্য অপশনের থেকে খরচ
 এবং সময় দুটোই অনেক কম লাগে ফলে আমি মনে করি আপনি যদি একজন ফিন্যান্সের হন বা কোন অনলাইন বিজনেস থাকে আপনার অথবা ডিজিটাল মার্কেট আর হন তা হলে আপনার পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট এক থাকা অত্যন্ত জরুরী।

আর আপনার যদি পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে আর কোন তথ্য জানান থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের যোগাযোগ পেজে যোগাযোগ করবেন অথবা কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করবেন আমরা আপনাকে পার্সোনালি সবকিছু ভালোভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব যেন আপনি সবকিছু বুঝতে পারেন এর জন্য অবশ্যই আমাদের যোগাযোগ প্রয়োজন অথবা কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করবেন। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাদের সম্পূর্ণ আটিকেলটি মন দিয়ে পড়ার জন্য আশা করি আমাদের আর্টিকেলটি আপনার ভালো লেগেছে। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপডেট আইডি ২৪ এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url