বাংলাদেশ পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম

আপনি যদি একজন ফিনান্সার বা ডিজিটাল মার্কেটার হন অথবা আপনার একটি অনলাইন বিজনেস আছে তাহলে আপনার অবশ্যই একটি পাসপোর্ট থাকা জরুরী। বিদেশের বিভিন্ন দেশের টাকা বাংলাদেশের আনার জন্য আপনার একটি কার্ড প্রয়োজন হবে।এই কার্ডটি তৈরি করার জন্য আপনার পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হবে পাসপোর্ট ছাড়া আপনি কার্ডগুলো নিতে পারবেন না। এইজন্য আপনাকে
বাংলাদেশ-পাসপোর্ট-অনলাইন-আবেদন-ফরম-পূরণ-করার-নিয়ম


অবশ্যই পাসপোর্ট তৈরি করতে হবে আজকে আমরা কিভাবে আপনি পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করবেন অনলাইনে আপনার কি কি কাগজপত্র লাগবে এইসব বিষয়ে আলোচনা করব আপনি যদি সম্পূর্ণ আর্টিকেল মনডে পড়েন তাহলে এই সব বিষয়ে জানতে পারবেন। তাই আমাদের সম্পূর্ণ আর্টিকেল মন দিয়ে পরুন।
পোস্ট সুচিপত্র: বাংলাদেশ পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম

বাংলাদেশ পাসপোর্ট মানে কি

বাংলাদেশ পাসপোর্ট হলো বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত আন্তর্জাতিক ভ্রমণ অর্থাৎ বিভিন্ন দেশের ঘুরে বেড়ানোর জন্য একটি প্রমাণ পত্র। যেটা একজন নাগরিককে বিদেশে ভ্রমণ করার সময় এবং আন্তর্জাতিকভাবে নিজের পরিচয় পত্র প্রমাণ করে। অন্য কোন দেশে প্রবেশ বা যেখানে অবস্থান করার জন্য প্রয়োজনে ভিসা এই পাসপোর্ট এর যুক্ত করা হয়। বিদেশে যায় এ কোন ধরনের বিপদে পড়লে দেশ থেকে সাহায্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে পাসপোর্ট। বিদেশের আপনার পাসপোর্ট আপনার বাংলাদেশী নাগরিত্বের প্রধান হিসেবে কাজ করে। দই ভাষায় বলতে গেলে পাসপোর্ট

আপনার বিদেশি পরিচয় পত্র অর্থাৎ বাংলাদেশের আপনার পরিচয় পত্র বলতে আপনার এনআইডি কার্ড বা ভোটার আইডি কার্ড কে বোঝায়। ঠিক তেমনি বিদেশে যদি ঘুরতে যান আপনার পরিচয় পত্র বলতে পাসপোর্ট কে বুঝায়। তাই জন্য আপনি যদি বিদেশে ঘুরতে যান বা চিকিৎসার জন্য যান কিংবা প্রবাসে যান তাহলে আপনার পাসপোর্ট অবশ্যই প্রয়োজন হবে এ পাসপোর্ট ছাড়া আপনি বিদেশে যাইতে পারবেন না। কারণ আপনার পরিচয় পত্র ছাড়া আপনাকে বিদেশে নিয়ে যাবে না তাই জন্য আপনি যদি চিকিৎসা বা ঘুরতে যান অথবা প্রবাসীর জন্য যান তাহলে অবশ্যই আপনাকে পাসপোর্ট করতে হবে। 

পাসপোটের জন্য কিভাবে অনলাইন আবেদন করবেন এবং কিকি লাগবে


প্রথমে আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন অথবা ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকেই গুগলে গিয়ে ই পাসপোর্ট লিখে সার্চ দিবেন। এটা লিখে সার্চ দেওয়ার পরে সর্বপ্রথমেই দেখতে পাবেন ই পাসপোর্ট এর অফিসিয়াল পেজ তারপর পেজে ঢুকবেন। ওয়েব সাইটে ঢুকলে দেখতে পাবেন প্রথমেই আপনাকে একটা সতর্কতা বার্তা দেখতে পাবেন ওটা কেটে দিয়ে ওয়েবসাইটে ঢুকে প্রথমে এপ্লাই অনলাইন লেখা দিতে চাপ এরপরে দেখতে পাবেন কয়েকটি অপশন চলে আসবে আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে আবেদন করেন তাহলে ইয়েস দিবেন। এরপর আপনার জেলা এবং থানা সিলেট করে দিবেন এরপর কন্টিনিউ লেখাতে চাপ

 দিবেন। তারপরে আপনাকে একটা ইমেইল এড্রেস দিতে হবে এর আগে এই ইমেইল দিয়ে পাসপোর্ট করেন নাই এমন ইমেইল দিবেন তারপরে একটি ক্যাপচার পাবেন সেটা পিক দিবেন এরপর কন্টিনিউ বাটনে চাপ দিবেন।  তারপরে আপনাকে একটি পাসওয়ার্ড দিতে হবে অবশ্যই কঠিন পাসওয়ার্ড দিবেন এবং আপনি দান মনে রাখেন আর দুইবার দিতে হবে। এরপরে আপনার Sumame এবংvem নাম দিবেন অবশ্যই সেটা আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী দিবেন আপনার যদি দুইটা নাম থাকে তাহলে দুই জায়গায় দুইটা থাকে তাহলে শুধ একটা নাম হয় তাহলে  এখানে ওই নামটি দিবেন। তারপরে আপনার মোবাইল নাম্বারটি দিবেন এবং টিক মার্ক অপশন পাবেন ওখানে টিক দিবেন তারপরে ক্রিয়েট একাউন্ট এ চাপ দিবেন। এরপর আপনার ই-মেইলে একটি কোড যাবে

ইমেইল ইনবক্সে যায় এ পড়তে ভেরিফাই করে নিবেন এরপর আপনার ইমেইল এড্রেস যেটা আগে দিছিলেন ওইটাই দিবেন এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে আবার টিক মার্ক দিয়ে সাইন ইন করবেন। তারপর আপনার অ্যাকাউন্টটি লগইন নিয়ে নিবে অ্যাকাউন্টটি লগইন হয়ে গেলে আপনার সামনে তিনটি অপশন চলে আসবে। অ্যাকাউন্ট, এপ্লাই ফর নিউ পাসপোর্ট, রিকুয়েস্ট ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট অবশ্যই এগুলো ইংরেজিতে লেখা থাকবে আমি আপনাদের বোঝানোর ক্ষেত্রে বাংলাতে বললাম। যেহেতু আপনি নতুন পাসপোর্ট করবেন তাই এপ্লাই ফর নিউ পাসপোর্টে চাপ দিবেন। যদি আপনি পাসপোর্ট নবায়ন ও করেন তাও আপনাকে এই লেখা থেকে করতে হবে। এরপরে দেখতে পাবেন দুই রকমের পাসপোর্ট চলে আসবে একটা হচ্ছে অফিশিয়াল আর একটা অর্ডিনারি অফিশিয়াল হচ্ছে যারা যারা সরকারি চাকরি করে তাদের জন্য আর অর্ডিনারি হচ্ছে সাধারণ মানুষদের জন্য।
আপনি যদি সরকারি চাকরি করেন তাহলে অফিসিয়াল পাসপোর্ট এর চাপ দিবেন আর যদি সরকারি চাকরি না করেন তাহলে অর্ডিনারি পাসপোর্ট দিবেন। সেভেন কন্টিনিউমে চাপ দিবেন আপনার পার্সোনাল কিছু ইনফরমেশন চলে আসবে দেওয়ার জন্য অপশন শুরুতেই আপনাকে অ্যাপ্লাই ফর মাই সেল এখানে টিক দিবেন। আপনি একটা পাসপোর্ট দিয়ে আপনার পুরো পরিবারের জন্য তৈরি করতে পারবেন যদি আপনি আপনার জন্য পাসপোর্ট তৈরি করেন তাহলে এই অপশনটিতে পিক দিবেন না হলে দিবেন না টিপ দিলে দেখবেন আপনার নাম নাম্বার সবকিছুই চলে আসবে। প্রথমে আপনার জেন্ডার সিলেট করে দিবেন তারপর আপনার প্রবেশন মানে আপনি কি করেন আর প্রবেশন সিলেক্ট করার সময় অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে যে প্রফেশনই দেন না কেন তার কিন্তু ডকুমেন্ট থাকতে হবে না হলে কিন্তু

পাসপোর্ট করতে পারবেন না। এরপর সিলেট রিলেজন এর জায়গায় আপনার রিলেজন সিলেট করে দিবেন। তারপর আপনার জন্ম তারিখ দিয়ে দিবেন সবগুলো ইনফরমেশন দিয়ে সেভ অন কন্টিনিউ অপশনে ক্লিক করবেন। এরপর আপনাকে এড্রেস দিতে বলবে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী আপনার পার্মানেন্ট অ্যাড্রেস দিবেন এরপরে আপনি আপনার বর্তমান অ্যাড্রেস দিয়ে দিবেন তারপরে নিচের দেখতে পাবেন আপনি কোন পাসপোর্ট অফিসে যায় পাসপোর্ট করতে হবে আপনি যে থানা সিলেট করবেন সেই অনুযায়ী কিন্তু আপনার পাসপোর্ট অফিসে যাইতে হবে এবং এই জায়গাতে যে পাসপোর্ট অফিস আসবে সে পাসপোর্ট অফিসে কিন্তু আপনাকে যায় আপনার ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে। আপনার এড্রেস দেওয়া হয়ে গেলে সে ফোন কন্টিনিউ বাটনে চাপ দিবেন। তারপরে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এরপরে আপনি দেখতে পাবেন আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার এ জায়গায় আপনার পরিচয় পত্রের নাম্বার দিয়ে দিবেন এইটা দেওয়ার সাথে সাথে আপনি অ্যাপ্লিকেশন ফর্মে কি পূরণ করেছেন এবং আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রে কি আছে সব পাশাপাশি চলে আসবে। এতে করে আপনি দেখতে পাবেন কোন জায়গায় ভুল দিয়েছেন কিনা এরপর ডু ইউ হ্যাভ এনি প্রিভিউ পাসপোর্ট লেখাটি দেখতে পাবেন অবশ্যই লেখাটি ইংরেজিতে থাকবে।

আপনি যদি একবারে প্রথম পাসপোর্ট করেন তাহলে নিচে তিনটা ধাপের মধ্যে শেষের ভাপ দিতে টিপ দিবেন। তারপরে নিচের দিকে গেলে দেখতে পাবেন   ইয়েস অর নো  যদি আপনার অন্য কোন দেশের পাসপোর্ট থাকে তাহলে ইয়েস দিবেন আর যদি না থাকে তাহলে নো দিবেন। এরপর সেবন কন্টিনিউ বাটনে চাপ দিবেন। তারপর দেখতে পাবেন আপনার বাবা এবং মায়ের ইনফরমেশন দিতে হবে তারপর আপনার বাবা মার ইনফরমেশন দেওয়া হয়ে গেলে সেভেন কন্টিনিউ বাটনে চাপ দিবেন। তারপরের ধাপে আপনার ম্যারেজ স্ট্যাটাস চলে আসবে আপনি যদি বিবাহিত হন তাহলে মারিড দিবেন এবং আপনার ওয়াইফের ইনফরমেশন দিবেন। আর যদি আপনি অবিবাহিত হন তাহলে সিঙ্গেল দিবেন। এরপর সেভেন কন্টিনিউ বাটনে চাপ দিবেন পরবর্তী ধাপের জন্য।

এবার এই জায়গায় আপনার ইমার্জেন্সি কন্টাক পারসন দিতে হবে। যার সাথে আপনার পরিবর্তে যোগাযোগ করা হবে এবং এটা কিন্তু আপনার পাসপোর্টের পাতাতে লেখা থাকবে। তার নাম এবং ফোন নাম্বার প্রথমে আপনি সিলেট করে দিবেন ইমার্জেন্সি কন্টাক person এর সাথে আপনার কি সম্পর্ক তারপর নাম দিবেন তার পর তার এড্রেস দিবেন এরপর তার ফোন নাম্বার দিবেন এইগুলো ইনফরমেশন দিয়েছে এবং কন্টিনিউ লেখাতে চাপ দিবেন। এরপরের ধাপে আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে পাসপোর্ট এর পাতা এবং মেয়াদ আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী এইটা পিক দেওয়ার পর সেভ এন্ড কন্টিনিউ চাপ দিবেন এরপর দেখতে পাবেন ডেলিভারির অপশন চলে আসবে এই ডেলিভারির মধ্যে কিন্তু তিন রকম ভাবে ডেলিভারি নিতে পারবেন আপনি যদি রেগুলার ডেলিভারি দেন তাহলে ১৫ দিন

 লাগবে, এক্সপ্রেস দিলে সাত দিন লাগবে, এবং সুপার এক্সপ্রেস নিলে ২ দিন লাগবে এই ক্ষেত্রে আপনার কিছু আর্জেন্ট ডকুমেন্ট এর দরকার আছে। এরপর সেভ এন্ড কন্টিনিউ বাটনে চাপ দিবেন। এরপর আপনি দেখতে পাবেন আপনার অ্যাপ্লিকেশন ওভারভিউ চলে আসছে এখানে আপনি প্রত্যেকটা অক্ষর ভালোভাবে চেক করবেন কোন জায়গায় ভুল হলো কিনা কারণ সাবমিট করে পেমেন্ট করে ফেললে কিন্তু তা ঠিক করতে অনেক ঝামেলায় পড়ে যাবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে নিচের টিক মার্ক অপশনের টিক মার্ক দিবেন এবং কনফার্ম ক্লাসিক টু পেমেন্ট এই লেখাটিতে সিলেট করবেন। তারপরে দেখতে পাবেন আপনাকে পেমেন্ট করার জন্য অপশন দিবে তারপরে আপনি অনলাইন পেমেন্ট লেখা দিতে সিলেক্ট করবেন এর পরে আপনাকে কয়েকটা অপশন দিবে আপনার যেটা সুবিধা মনে হবে ওইটা দিয়ে পেমেন্ট দিবেন। তারপর কন্টিনিউ লেখাতে চাপ দিবেন এরপরে কয়েকটি অপশন পাবেন প্রথমে বাংলা
 কিবোর্ড আপনি যদি বিকাশ থেকে পেমেন্ট দিতে চান তাহলে এটাতে সিলেট করবেন আর আপনার যদি কার্ড থাকে তাহলে কার্ডে পেমেন্ট করতে পারবেন তারপরে পে লেখাতে চাপ দিবেন তারপরে আপনি যেটা সিলেক্ট করবেন ওইটার ইনফরমেশন দিতে হবে। তারপর আবার পে লেখাতেচাপ দিবেন তারপর আপনার অ্যাকাউন্ট নাম্বার দিয়ে পে তে চাপ দিলেই। এরপর আপনার ভেরিফিকেশন মেসেজ চলে আসছে ওখানে আপনার ওটিপি দিয়ে ভেরিফাই করে নিবেন ওটিপি দিয়ে সাবমিট করলেই আপনার একাউন্ট থেকে টাকা কেটে নিবে। আপনার পেমেন্ট নিয়ে নিলে আপনাকে অটোমেটিক যেখান থেকে পেমেন্টের জন্য আবেদন করি সবাই পেজে নিয়ে আসবে তারপরে আপনি নিচে চেক পেমেন্ট অপশন এ চাপ দিবেন তাহলে দেখতে পাবেন পেমেন্ট ট্রানজেকশন ওয়াজ নট ফাউন্ড এরকম লেখা দেখতে পাবেন আপনি ওকে করে দিবেন কিছুক্ষণ সময় আপনি ওখানে অপেক্ষা করবেন। কিছুক্ষণ পরে যখন আপনি চাপ দিবেন তখন দেখতে পাবেন পেমেন্ট সাকসেসফুল এমন লেখা চলে আসবে আপনি ওকে

 চাপ দিবেন। তারপরে পিন সামারি ডাউনলোড করে নিবেন এবং কোন কম্পিউটারের দোকান থেকে প্রিন্ট করে বের করে নিবেন। অবশ্যই এপ্রিল সামারি পেজটি সবার উপরে রাখবেন এবং ওখানে দেখতে পাবেন ডাউনলোড অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ফর প্রিন্টিং অবশ্যই লেখাগুলো কিন্তু ইংরেজিতে থাকবে আমি বাংলাতে আপনাদের বলতেছি। এই অপশনটিতে ক্লিক করে আপনার এই এপ্লিকেশন ফর্মটিও ডাউনলোড করে নিবেন। সাথে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র, আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা আপনি যদি স্টুডেন্ট না দিয়ে অন্য কিছু দিয়ে থাকেন তাহলে আপনি যেই জব দিয়েছেন সেই জবের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট বা আইডি কার্ড দিবেন এবং আপনার বাবা-মা এর পরিচয় এর ফটোকপি নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে চলে যাবেন। এরপরে আপনি যে পাসপোর্ট ফি দিছেন এটার একটা রিসিভ দেখাতে হবে এই

জন্য পাসপোর্ট ফ্রি অপশনে চাপ দিবেন আপনি যেই অপশনের মাধ্যমে পেমেন্ট করবেন তার পাশে ক্লিক হেয়ার লেখাতে চাপ দিবেন। তারপরে দেখতে পাবেন রেফারেন্স নাম্বার দিতে বলছে ওখানে আপনার নাম্বার দিয়ে দিবেন তারপর সার্চ অপশনে চাপ দিবেন তাহলে দেখতে পাবেন আপনার ট্রানজেকশন চলে আসছে আপনি পিডিএফ লেখাতে চাপ দিবেন। তাহলে দেখতে পাবেন আপনার পেমেন্টে স্লিপ টা চলে আসবে ডাউনলোড করে আপনার পেমেন্টে স্লিপটাও আপনি পিন করে বের করে নিবেন। তাহলে আপনার অনলাইন আবেদন কমপ্লিট হয়ে গেছে এবং যেগুলো পিন করলেন আর যেগুলো ডকুমেন্টে কথা বললাম সবগুলো নিয়ে আপনি পরের দিনই পাসপোর্ট অফিসের চলে যাবেন। পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আপনি কাগজ জমা দিবেন ছবি তুলবেন এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিবেন তারপরের ধাপগুলো অটোমেটিক হয়ে যাবে। 

কূটনৈতিক পাসপোর্ট কি

বাংলাদেশের সাধারণত তিন ধরনের পাসপোর্ট দেওয়া হয়ে থাকে। সবুজ রঙের পাসপোর্ট নীল রংয়ের পাসপোর্ট এবং লাল রঙের পাসপোর্ট। সবুজ রঙের পাসপোর্ট সাধারণ মানুষদের জন্য নীল রংয়ের পাসপোর্ট সরকারি চাকুরিজীবী বা কর্মকর্তাদের জন্য। আর লাল রঙের পাসপোর্ট এটাকে বলা হয় কূটনৈতিক পাসপোর্ট। এই কূটনৈতিক পাসপোর্ট দেওয়া হয় রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সচিব বা বিদেশি কর্মরত কূটনীতিকদের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের। এই পাসপোর্ট থাকলে কিছু
বাংলাদেশে-মোট-সবুজ-লাল-নীল-এই-তিনটি-পাসপোর্ট-ব্যবহার-হয়


অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যায়। অনেক দেশে ভিসা গ্রহণ সহজ হয়। ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস প্রক্রিয়া দ্রুত হয়। টুনৈতিক পরিচয় এর কারণে বিশেষ মর্যাদা পাওয়া যায়। এই পাসপোর্টটি পদ বা দায়িত্বের উপর নির্ভর করে তাই পথ বা দায়িত্ব এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে পাসপোর্টটি ফেরত দিতে হয়। আর এই তিনটা পাসপোর্টই তিন ধরনের মানুষদের জন্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে সরকার থেকে কেউ কোনোটা চাইলেও নিতে পারবে না তাদের পদ অনুযায়ী পাসপোর্ট নিতে হবে। 

 লাল পাসপোর্ট এর সুযোগ সুবিধা

লাল পাসপোর্ট এর প্রধান সুবিধা হলো যাদের কাছে লাল পাসপোর্ট আছে তাদের নির্দেশ ভ্রমণের জন্য কোন ভিসার প্রয়োজন হয় না। ফলে তাদের বাড়তি ঝামেলা করতে হয় না তারা বিদেশে যাওয়ার সাথে সাথে ওয়ান আরাফার্ড ভিসা পেয়ে যান কূটনৈতিক পাসপোর্ট সব দেশেরই লাল হয়ে থাকে। যারা বিমানবন্দরে কাজ করে তারা লাল পাসপোর্ট দেখা মাত্র বুঝতে পারে যাত্রীর ব্যাকগ্রাউন্ড বুঝতে পারে এবং সেই অনুযায়ী ট্রিট করতে থাকে। এছাড়াও নীল পাসপোর্ট ব্যবহারকারীরা ভিসা সারা ২৭টি দেশে ভ্রমণ করতে পারে। তবে এই পাসপোর্ট গুলো সরকারি কোন কাজ ছাড়া যদি বিদেশে যায় তাহলে সাধারণ সবুজ পাসপোর্ট ব্যবহার করতে হবে এটা শুধু সরকারি কাজের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি মানুষ সবুজ পাসপোর্ট ব্যবহার করে থাকে।

পাসপোর্ট খুলতে কত টাকা লাগে

বাংলাদেশে তিন ধরনের পাসপোর্ট হয় তো এক একটা পাসপোর্ট এর জন্য একেক রকম খরচ হয় এবং পাসপোর্ট এর মধ্যে আবার কত মেয়াদ এবং কত পৃষ্ঠা নিবেন তার উপর আপনার পাসপোর্টে খরচ পরে। সবুজ পাসপোর্ট তৈরি করতে ৪৮ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদসহ পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রেঃ
  1. নিয়মিত ডেলিভারি ৫৭৫০ টাকা
  2. জরুরী ডেলিভারি ৮০৫০ টাকা
  3. অতিরিক্ত তাড়াতাড়ি ১০৩৫০ টাকা
৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদসহ পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রেঃ
  1. নিয়মিত ডেলিভারি ৪০২৫টাকা
  2. জরুরী ডেলিভারি ৬৩২৫টাকা
  3. অতিরিক্ত তাড়াতাড়ি ৮৬২৫টাকা
৬৪ পৃষ্ঠা এবং ৫ বচ্ছরের মেয়াদসহ পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রেঃ
  1. নিয়মিত ডেলিভারি ৬৩২৫ টাকা
  2. জরুরী ডেলিভারি ৮৬৩৫টাকা
  3. অতিরিক্ত তাড়াতাড়ি ১২০৭৫ টাকা
৬৪ পৃষ্ঠা এবং১০ বচ্ছরের মেয়াদসহ পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রেঃ
  1. নিয়মিত ডেলিভারি ৮০২৫ টাকা
  2. জরুরী ডেলিভারি ১০৩৫০টাকা
  3. অতিরিক্ত তাড়াতাড়ি ১৩৮০০ টাকা
এখন আপনার পছন্দ মতো এখান থেকে যেটা করবেন সেই অনুযায়ী টাকা লাগবে। এবং বাংলাদেশ মিশনে ই পাসপোর্ট ফি(শ্রমিক ও শিক্ষার্থী)
 ৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদসহ পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রেঃ
নিয়মিত ডেলিভারি ৩০ মার্কিন ডলার
জরুরী ডেলিভারি ৪৫ মার্কিন ডলার
 ৪৮ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদসহ পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রেঃ
নিয়মিত ডেলিভারি ৫০ মার্কিন ডলার
জরুরী ডেলিভারি৭৫ মার্কিন ডলার
৬৪ পৃষ্ঠা এবং ৫ বচ্ছরের মেয়াদসহ পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রেঃ
নিয়মিত ডেলিভারি ১৫০মার্কিন ডলার
জরুরী ডেলিভারি ২০০মার্কিন ডলার
৬৪ পৃষ্ঠা এবং ১০ বচ্ছরের মেয়াদসহ পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রেঃ
নিয়মিত ডেলিভারি ১৭৫ মার্কিন ডলার
জরুরী ডেলিভারি ২২৫মার্কিন ডলার
এই পাসপোর্ট ভুল আপনি বিদেশ থেকে করতে গেলে আর স্টুডেন্ট বা শ্রমিক আইডি কার্ড দেখানোর পরে করতে গেলে এই ডলার খরচ হবে আর যদি স্টুডেন্ট বা শ্রমিক কোন একাউন্ট না দেন তাহলে আরো বেশি খরচ হবে। 

বাংলাদেশ পাসপোর্ট রেংকিং কি 

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট এর নতুন বৈশ্বিক তিন ধাপ এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ বে র‍্যাংকিং এ উন্নতি হলেও প্রশ্ন একটাই বাংলাদেশের পাসপোর্ট কতটি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যাবে। একটু রাষ্ট্রের লন্ডন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেললি এন্ড পার্টনার প্রকাশিত সর্বশেষ গণনায় সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট গণনার তালিকা কিংবা এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ গত বছর ১০০তম স্থান থেকে উন্নতি হয়ে এ বছর ৯৭ স্থানে এসেছে বাংলাদেশ। এবারে সূচকে ও এককভাবে শীর্ষে অবস্থান ধরে রেখেছে এশিয়ার দেশ সিঙ্গাপুর সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংখ্যা দেশের ভিসা ছাড়া ঘোড়ার সুযোগ পাচ্ছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে আসেন জাপান দক্ষিণ কোরিয়া যাদের নাগরিকরা আগাম ভিসা ছাড়া ১৮৮ টি দেশে ভ্রমণ করতে পারে। ১৮৭ টি ভিসা মুক্ত ভ্রমণের সুবিধা নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে সুইডেন দেশটির নাগরিকরা ভিসা মুক্ত ১৮৭ দেশটি। চতুর্থ অবস্থানে আছে ১১ টি দেশ দেশগুলো হলো সব কয়টি ইউরোপে বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মান, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্স চেম্বার, লেদারলেন, নরওয়ে ও স্পেন দেশগুলোর নাগরিকরা এক ১৮৬টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। পঞ্চম অবস্থানে আছে পাঁচটি দেশ অস্ট্রিয়া, গ্রিস, মালটা, পত্রুকা এবং সুইজারল্যান্ড এই পাঁচ দেশের বসবাসকারীরা আগাম ভিসা ছাড়া ১৮৫ টি দেশে ভ্রমণ করতে পারে। বাংলাদেশের নাগরিকরা আগাম ভিসা ছাড়া ৩৫টি দেশে যেতে পারবে। 

পাসপোর্ট রিনিউ কিভাবে করবেন

পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য প্রথমে আপনাকে আপনার হাতে টাকা ফোন অথবা কম্পিউটার থেকে ই পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে ঢুকতে হবে। পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য এক্সট্রা কোন অপশন নাই তাই জন্য আপনাকে নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে হবে। এর জন্য প্রথমে আপনাকে আপ্লাই অনলাইন ফর ই পাসপোর্ট টিপ দিবেন। আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে পড়েন তাহলে ইয়েস দিয়ে দিবেন তারপর আপনার থানা সিলেট করে দিবেন তারপর কন্টিনিউ লেখাটা চাপ দিবেন এরপরে আপনার

 একটি ইমেইল এড্রেস দিয়ে দিবেন তারপরে আই এম হিউম্যান এই লেখাতে টিপ দিবেন কন্টিনিউ দিয়ে দিবেন। এরপর একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে দিবেন আই এম হিউম্যান এই লেখাতে টিপ দিবেন। আপনি যেভাবে এর আগের অ্যাকাউন্ট খুলছে সেমভাবে সবকিছু ফ্রম পূরণ করবেন। আপনার পার্মানেন্ট এবং পেয়েছেন অ্যাড্রেস দেওয়ার পরে কন্টিনিউ যাবার পর ন্যাশনাল আইডি নাম্বার দিতে হবে ওখানে না আইডি নাম্বার দিয়ে দিবেন তারপর দেখতে পাবেন Do you have any previous passports লেখাটি

 দেখতে পাবেন মূলত এখানে আপনার কাজ আপনার যদি ই পাসপোর্ট থেকে থাকে আর সেটার যদি রিনিউ করতে চান তাহলে দুই নাম্বারটা সিলেক্ট করবেন। তারপরে নিজ থেকে সিলেক্ট করবেন এক্সপায়ার্ড যদি আপনার পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হয়ে থাকে। এরপর দেখতে পাবেন দুই পাশে আপনারদের শো করবে অবশ্যই এগুলো মিলিয়ে নিবেন যেন কোথাও ভুল না যায় ভুল গেলে কিন্তু আপনার পরবর্তীতে সমস্যা বোঝা যাবেন । তারপর নিচে দেখবেন yes or no অপশন। আপনার যদি
বিদেশি কোন পাসপোর্ট থেকে থাকে তাহলে ইয়েস দিবেন আর না হলে নো দিবেন। এরপরে আপনি

কন্টিনিউ লেখা থেকে ক্লিক করবেন তারপরে আপনার বাবা মার ইনফরমেশন চাইবে সেগুলোর অবশ্যই ভালো করে মিলিয়ে দিবেন তাদের ভোটার আইডি থেকে। এরপর কন্টিনিউ লেখাটিতে টিপ দিবেন। এরপরে যেভাবে আবার অ্যাকাউন্ট ছিলেন ধাপ অনুযায়ী এগিয়ে যান আপনি যখন প্রথম বার আবেদন করার সময় যেগুলো ডকুমেন্ট নিয়েছিলেন ওইসব ডকুমেন্ট আবারও নিয়ে নিবেন। এবং আপনার আগের অবশ্যই সাথে নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাবেন এরপর তাদের কাছে জমা দিবেন তাহলে এটা অটোমেটিক তারপর আবারো আপনাকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি দিতে হবে তারপরে প্রসেস গুলো অটোমেটিক আবার হয়ে যাবে তারপর আপনাকে একটি ডেলিভারি স্লিপ দেবে স্লিপ অনুযায়ী দেখতে পারবেন আপনার পাসপোর্টটি রিনিউ হয়েছে কিনা। 

আপনার পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে কিভাবে রিকভারি করবেন

আপনার যদি পাসপোর্ট হারিয়ে যাই বা কোনোভাবে নষ্ট হয়ে যায় যেমন আগুনে পুড়ে বা চুরি হয়ে যায়। সেই পাসপোর্টটি রিকভারি করার জন্য প্রথমে আপনাকে আপনার পাসপোর্ট এর কপি বা ফোনে থাকা ছবিটি নিয়ে আপনি আপনার থানায় যায় একটি জিতি করবেন আপনার পাসপোর্ট হারিয়ে গেছে বলে। তাহলে আপনাকে থানায় থেকে একটি স্ট্যাম্প সহ একটি এপ্লিকেশন দিয়ে দিবে। এবার ওই জিতি নাম্বার ধরে আপনি আপনার পাসপোর্ট এর জন্য এপ্লাই করবেন। পাসপোর্ট একাউন্টে আসার পরে রি ইস্যু

বলে একটি অপশন পাবেন এবং সেখানে আপনাকে আপনার রিজন দেখাতে হবে লস অবশ্যই ইংরেজিতে লেখা থাকবে আমি বাংলাতে বলতেছি । আপনি আপনার পাসপোর্ট এর কপি অনুযায়ী যেগুলো ডিটেলস ছিল সেই ডিটেলস গুলোই ইস্যু রিজন লজ দেখানোর পরে আপনার পাসপোর্ট এর কপিল যত ডিটেলস ছিল সব একদম মিলিয়ে ফরম ফিলাপ করবেন।আপনার নাম আপনার বাবার নাম আপনার মায়ের নাম এরপর আপনার আগের পাসপোর্ট এর ডিটেলসও চাইবে আপনার পাসপোর্ট এর ইসুদের পাসপোর্ট নাম্বার পাসপোর্ট এর expited তারিখ সমস্ত কিছু দিয়ে দিবেন। এবং আপনার ফাইল

নাম্বার চাইবে এর ফাইল নাম্বার পাসপোর্টে যে দ্বিতীয় পেজ থাকে তার লাস্টের নিচে দেখবেন পাসপোর্টে ফাইল নাম্বার থেকে ওই ফাইল নাম্বার বসিয়ে দিবেন। ফরম ফিলাপ করে দিবেন এবং আপনি একটা ডেট অ্যাপার্টমেন্ট নিবেন আপনার যে পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র আছে সেখানকার। এরপর আপনার সকল ডকুমেন্ট ব্যাংক একাউন্ট বার্থ সার্টিফিকেট ভোটার আইডি কার্ড এইসব ডকুমেন্টস নিয়ে আপনি আপনার নিয়ারেস্ট পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে যেইদিন অ্যাপয়েন্টমেন্ট করেছেন সেই দিন যাইবেন। এবং

আপনাকে সাথে করে এফআইআর এর চিঠি নিয়ে যাবেন যেটা আপনি থানা যায় এ করেছেন। এরপর আপনার সব ডকুমেন্ট চেক করবে এবং ওখান থেকে কিন্তু আপনার অ্যাপ্লিকেশন আপ্রুভ করে দিবে ।অফিসে গ্রান্টেড হয়ে গেলে আপনার ওয়েব ফাইল নেয়ারেস্ট পুলিশ স্টেশনে পাঠিয়ে দিবে তারপর ভিআইপি হবে ভিআইপি হওয়ার পর রেজাল্ট পাসপোর্ট অফিসে পাঠাবে থানা থেকে তারপর বাইপোস্টের মাধ্যমে আপনি পাসপোর্ট ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন।

শেষ কথাঃ লেখকের শেষ মন্তব্য

আমাদের সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং আশা করি এখন আপনারা অবশ্যই জেনে গেছেন কিভাবে পাসপোর্ট তৈরি করবেন কেন তৈরি করবেন কিভাবে রিনিউ করবেন বা আপনার পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে কিভাবে ফেরত পাবেন এই সকল বিষয় আশা করি জেনে গেছেন। আরও যদি কিছু জানতে চান এই বিষয়ে তাহলে অবশ্যই আমাদের যোগাযোগ পেজ অথবা কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করবেন আমরা অবশ্যই আপনাকে রিপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করব।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপডেট আইডি ২৪ এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url